ঘরে মাশরুম স্পঃ তৈরির সহজ পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া

how to make mushroom spawn at home in bengali

ঘরে মাশরুম স্পঃন তৈরি করা হল একটি সুবিধাজনক এবং স্বল্প খরচের পদ্ধতি, যা দ্বারা আপনি নিজেই মাশরুম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় স্পঃন তৈরি করতে পারেন। এই প্রক্রিয়াটি শুরু করতে হলে প্রথমে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে হবে, যেমন চাষের জন্য উপযুক্ত মাশরুমের বীজ, গল্প করা চাল, কফি গাছের খোঁচা, এবং কিছু অন্যান্য উপকরণ। এরপর এই সামগ্রীগুলি মিশ্রিত করে একটি উপযুক্ত পরিবেশে রাখতে হবে, যেখানে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রিত থাকে। সঠিক যত্ন এবং ধৈর্যের সাথে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আপনি নিজেই মাশরুম স্পঃন তৈরি করতে সক্ষম হবেন, যা দ্বারা বড় পরিমাণে মাশরুম চাষ করা যাবে।

Characteristics Values
Language Bengali
Process Home-based mushroom spawn production
Materials Needed Substrate (e.g., rice straw, sawdust), mushroom mycelium, plastic bags, pressure cooker, gloves, mask
Sterilization Substrate must be sterilized in a pressure cooker for 1-2 hours to kill contaminants
Inoculation Introduce mushroom mycelium to the sterilized substrate in a clean environment
Incubation Keep the inoculated substrate in a warm, dark place (25-30°C) for 2-4 weeks until fully colonized
Storage Store spawn in a cool, dry place or refrigerate for longer shelf life
Usage Use spawn to grow mushrooms in a controlled environment with proper humidity and temperature
Common Mushrooms Oyster, Button, Shiitake
Benefits Cost-effective, sustainable, and allows for local mushroom production
Challenges Requires sterile conditions, risk of contamination, and precise environmental control
Resources Online tutorials, local agricultural guides, and community forums in Bengali

anspore

স্পঃ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও বাছাই

স্পঃ তৈরির জন্য সঠিক সামগ্রী বাছাই করা হল সাফল্যের অর্ধেক পথ। প্রথমত, আপনাকে মাইসেলিয়াম (mycelium) বা জীবাণু সংস্কৃতি প্রয়োজন, যা হচ্ছে মাশরুমের মূল জীবন সূত্র। এটি অনলাইনে বা বিশ্বস্ত সরবরাহকারী থেকে কিনতে হবে। দ্বিতীয়ত, মাধ্যম (substrate) হিসেবে চাষের জন্য কাঠের চুরি, গম খোল, বা কম্পোস্ট ব্যবহার করা যায়। কাঠের চুরি সবচেয়ে জনপ্রিয়, কারণ এতে পোষক তাড়া এবং ময়লা কম। তৃতীয়ত, স্টেরাইলাইজেশনের জন্য প্রেসার কুকার বা অভিভূত ক্যান প্রয়োজন হবে, যাতে সামগ্রী ও পাত্র জীবাণুমুক্ত করা যায়। এছাড়াও, এলকোহল স্প্রে বা ব্লিচ দিয়ে হাত ও সরঞ্জাম পরিষ্কার করতে হবে। শেষ করে, pH টেস্ট কিট ব্যবহার করে মাধ্যমের এসিডিটি যাচাই করা উচিত, যা 6.0–7.0 রেঞ্জে থাকতে হবে।

মাধ্যম বাছাইয়ের সময় কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, কাঠের চুরি যদি তাজা কাঠ থেকে তৈরি করা হয়, তাহলে তা প্রথমে 48 ঘণ্টা সুকানো ও 120°C তাপমাত্রায় 2 ঘণ্টা ভেজে নিতে হবে, যাতে কীটনাশক ও জীবাণু মরে যায়। গম খোলের ক্ষেত্রে, তা পানিতে 12 ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে পরে সুকানো ও ভেজে নিতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি মাধ্যমকে পোষকতায় সমৃদ্ধ করে এবং জীবাণু আক্রমণের ঝুঁকি কমায়।

স্পঃ তৈরির জন্য পাত্র বাছাইও গুরুত্বপূর্ণ। প্লাস্টিক ব্যাগ, গ্লাস জার, বা প্লাস্টিক ক্যান ব্যবহার করা যায়, কিন্তু তা অবশ্যই স্টেরাইল করতে হবে। প্লাস্টিক ব্যাগের ক্ষেত্রে, তা প্রেসার কুকারে 15 মিনিট অভিভূত করা যায়। গ্লাস জার ব্যবহার করলে, তা সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরে 70% এলকোহল দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। পাত্রের মুখ বন্ধ করার জন্য মাইক্রোপোরাস টেপ ব্যবহার করা যায়, যা বায়ু প্রবাহ অনুমোদন করে কিন্তু জীবাণু প্রতিরোধ করে।

শেষ করে, স্পঃ তৈরির জন্য পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। তাপমাত্রা 22–28°C এবং আর্দ্রতা 60–70% রাখতে হবে। এই শর্তাবলী মাইসেলিয়ামের উদ্বিকাসের জন্য সূটেবল। যদি প্রাকৃতিক পরিবেশে এই শর্ত পূরণ না হয়, তাহলে হামিডিফায়ার বা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক ব্যবহার করা যায়। এই সব পদক্ষেপ মিলিয়ে স্পঃ তৈরির জন্য একটি সুরক্ষিত ও উৎপাদনশীল পরিবেশ তৈরি করা যায়।

anspore

মাধ্যম পরিষ্কার ও স্টেরাইলাইজ করার পদ্ধতি

মাধ্যম পরিষ্কার ও স্টেরাইলাইজ করা মাশরুম স্পঃাণ তৈরির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাধা দেয় অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজমের বৃদ্ধিকে যা মাশরুমের স্বাস্থ্যকে বিনাশ করতে পারে। প্রথমে, মাধ্যম (যেমন চাউল, গম, বা কাঠ) ভালো করে ধুয়ে নিন পানিতে যাতে সমস্ত ধূলো ও অশুদ্ধি দূর হয়ে যায়। এরপর, একটি বড় পাত্রে মাধ্যম ও পানির মিশ্রণ করে তা কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এই প্রক্রিয়াটি মাধ্যমকে নরম করে এবং পরবর্তী স্টেরাইলাইজেশনের জন্য প্রস্তুত করে।

স্টেরাইলাইজেশনের জন্য, আপনি উচ্চ তাপমাত্রা ব্যবহার করতে পারেন। একটি প্রেসার কুকার বা বড় একটি প্যানে মাধ্যম ও পানির মিশ্রণ দিয়ে তা কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিট ধরে উবালুন। এই পদ্ধতিটি সর্বাধিক প্রচলিত এবং বিশ্বস্ত, কারণ এটি সমস্ত হানিকারক জীবাণু ও ফাঁজ ধ্বংস করে দেয়। উবালানোর পর, মাধ্যমকে একটি স্টেরাইলাইজ্ড পাত্রে ঠাণ্ডা করে রাখুন এবং এটি পরবর্তী ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করুন।

একটি বিকল্প পদ্ধতি হল ওভেনে স্টেরাইলাইজেশন। মাধ্যমকে একটি ওভেন-সেফ পাত্রে রাখুন এবং তা ১২০-১৫০°C তাপমাত্রায় ৩০-৪৫ মিনিট ধরে রাখুন। এই পদ্ধতিটি বিশেষ করে কাঠের মাধ্যমের জন্য উপযোগী, কারণ এটি তার গন্ধ ও রঙ অক্ষুণ্ণ রাখে। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করুন, যাতে মাধ্যম জ্বলে না উঠে।

স্টেরাইলাইজেশনের পর, মাধ্যমকে একটি স্টেরাইল পরিবেশে ঠাণ্ডা করে রাখা জরুরি, যাতে কোনো নতুন অশুদ্ধি মিশে না যায়। এই প্রক্রিয়াটি মাশরুম স্পঃাণ তৈরির জন্য একটি সুরক্ষিত ও সুস্থ মাধ্যম নিশ্চিত করে, যা উৎকৃষ্ট ফলন দেয়। সঠিক পরিষ্কার ও স্টেরাইলাইজেশন ছাড়া মাশরুম চাষের সফলতা অপেক্ষা করা যায় না।

anspore

ক্যাম্পাস তৈরি করা এবং মিশ্রণ প্রক্রিয়া

মাইটেক ক্যাম্পাস তৈরির জন্য প্রথমে স্পষ্ট ও বাসিল করা গম বা চালের আটা প্রয়োজন। ১ কেজি আটার সাথে ১০ গ্রাম ক্যাফে চূর্ণ (সাধারণত ক্যাম্পাস তৈরির জন্য ব্যবহৃত) মিশ্রিত করুন। এই মিশ্রণটিকে ৫০-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ২৪ ঘণ্টা ভেজে রাখুন, যাতে আটা পুষিত হয়ে উঠে এব�ং ক্যাফে চূর্ণের গুণ সম্পূর্ণ ভাবে মিশে যায়। এই প্রক্রিয়াটি ক্যাম্পাসের গুণমান ও উৎপাদন ক্ষমতা নির্ভর করে, তাই তাপমাত্রা ও সময় সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি।

মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় স্টেরাইলাইজেশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিশ্রিত আটা ও ক্যাফে চূর্ণকে একটি স্টেরাইল কন্টেইনারে রাখুন, যেমন গরম করা ও পরিষ্কার করা একটি মিটির পাত্র। এরপর এই মিশ্রণকে ১২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ২ ঘণ্টার জন্য অটোক্লেভে স্টেরাইলাইজ করুন। এই পদ্ধতিটি বায়োলজিকাল দূষণ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং ক্যাম্পাসের স্থায়িত্ব বাড়ায়।

ক্যাম্পাস তৈরির সময় আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মিশ্রিত আটার আর্দ্রতা ৫০-৬০% রাখা উচিত, যা পরীক্ষা করতে হলে একটি মায়োমিটার ব্যবহার করা যেতে পারে। যদি আর্দ্রতা বেশি হয়, তাহলে আটা ভিজে যেতে পারে এবং ফাঁপ লাগতে পারে, যা ক্যাম্পাসের গুণমান কমিয়ে দেয়। এড়িয়ে চলতে হলে প্রয়োজনে আরও শুকনো আটা মিশিয়ে দিন।

শেষ পর্যায়ে, তৈরি ক্যাম্পাসকে পলিথিন ব্যাগে বাঁধার আগে প্রতি কিলো আটার জন্য ২০-২৫ গ্রাম ক্যালসিয়াম কার্বোনেট মিশিয়ে দিন। এটি ক্যাম্পাসের pH স্তর স্থির রাখতে এবং মাটির পোষক গুণ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। এই মিশ্রণটিকে ২৪ ঘণ্টা রেস্ট দিন, তারপর ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করুন। এই প্রক্রিয়াটি ক্যাম্পাসকে উচ্চ গুণমানের এবং উৎপাদনশীল করে তোলে, যা মাশরুম চাষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।

anspore

স্পঃ বাক্স বা ব্যাগে মিশ্রণ ভর্তি করা

মিশ্রণ ভর্তির আগে, স্পঃ মিশ্রণটি প্রস্তুত করতে হবে। এটি হল গোলাকার বা চুরি করে কাটানো গোলা গম বা বাজ আটা, যার সাথে মাশরুম মাইসেলিয়াম মিশ্রিত হয়েছে। মিশ্রণটি প্রস্তুত করার জন্য, ১ কিলো গম বা বাজ আটার সাথে ১০০ গ্রাম মাশরুম মাইসেলিয়াম মিশ্রণ করুন। এই মিশ্রণটিকে ভালো করে মেখে নিন, যাতে মাইসেলিয়াম সমানভাবে আটার সাথে মিশে যায়। এই মিশ্রণটিকে স্পঃ বাক্স বা ব্যাগে ভর্তি করার আগে কয়েক ঘণ্টা রাখা উচিত, যাতে মাইসেলিয়াম আটার সাথে ভালো করে মিশে যায়।

ভর্তির পরে, স্পঃ বাক্স বা ব্যাগটিকে ২৫-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা উচিত, যা মাশরুম মাইসেলিয়ামের উপযুক্ত বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়। এই তাপমাত্রা রক্ষা করতে, বাক্স বা ব্যাগটিকে একটি গরম ও অন্ধকার জায়গায় রাখা উচিত, যেমন একটি ক্লোজেট বা একটি গরম করা ঘর। প্রতিদিন একবার বাক্স বা ব্যাগটিকে পরিবর্তন করা উচিত, যাতে মিশ্রণটি শুকিয়ে না যায় এবং মাইসেলিয়াম সমানভাবে বিস্তারিত হতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি ২-৩ সপ্তাহ ধরে চালিয়ে যাওয়া উচিত, যার পরে স্পঃ তৈরি হয়ে যাবে এবং মাশরুম চাষের জন্য ব্যবহারযোগ্য হবে।

anspore

স্পঃ সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি

স্পঃ সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি না জানলে মাশরুম চাষের সমস্যা হতে পারে। স্পঃ তৈরির পর তা কত সময় স্টোর করা যাবে, কীভাবে রাখা যাবে— এই বিষয়গুলো জানা আবশ্যক। সাধারণত স্পঃ তৈরির পর ২০-২৫ দিন পর্যন্ত স্টোর করা যায়। এটি কলকা কাগজে মোড়ানোর পর প্লাস্টিক ব্যাগে রাখতে হবে। ব্যাগটিকে ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় রাখা উচিত। যদি স্পঃ ব্যবহারের জন্য বেশি সময় লাগে, তাহলে তা ফ্রিজে রাখা যায়। ফ্রিজে রাখলে স্পঃ ৩-৬ মাস পর্যন্ত সুস্থ থাকে।

স্পঃ ব্যবহারের আগে তার গুণমান যাচাই করা জরুরি। যদি স্পঃ উপরে কোনো ধরনের ফাঁজ বা রঙিন দাগ দেখা যায়, তাহলে তা ব্যবহার করা উচিত নয়। স্পঃ ব্যবহারের সময় তা কম পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে। সাধারণত ১ কেজি কম্পোস্টে ১০০-১৫০ গ্রাম স্পঃ যথেষ্ট। বেশি স্পঃ ব্যবহার করলে মাশরুমের গুণমান কমতে পারে। স্পঃ কম্পোস্টের সাথে মিশানোর আগে কম্পোস্টটিকে ৫০-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থামানো উচিত, যাতে স্পঃ সেটার সাথে মিশে যায়।

স্পঃ ব্যবহারের পর কম্পোস্টটিকে সমানভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। এটি হাত দিয়ে বা কোনো যন্ত্রের মাধ্যমে করা যায়। মিশানোর পর কম্পোস্টটিকে ২৪-৪৮ ঘণ্টা সময় দিতে হবে, যাতে স্পঃ ভালো করে মিশে যায়। এই সময়ের মধ্যে কম্পোস্টটিকে আরও একবার মিশিয়ে দেওয়া ভালো। এই প্রক্রিয়াটি মাশরুমের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক।

স্পঃ সংরক্ষণের সময় আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার উপর বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। যদি স্পঃ অত্যধিক আর্দ্র হয়ে যায়, তাহলে তা খারাপ হতে পারে। একইভাবে, যদি তাপমাত্রা বেশি হয়, তাহলে স্পঃ থেকে জীবাণু আক্রমণ হতে পারে। স্পঃ সংরক্ষণের জন্য ৫০-৬০% আর্দ্রতা ও ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা আদর্শ। এই শর্তগুলো মেনে চললে স্পঃ দীর্ঘক্ষণ সুস্থ থাকে এবং মাশরুম চাষে ভালো ফলাফল দেয়।

Frequently asked questions

ঘরে মাশরুম স্পঃান তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সামগ্রীগুলি হল: মাশরুম স্পঃান কার্টিজ (অথবা মাশরুম বীজ), চাষের জন্য মাধ্যম (যেমন গোলার্পা, কাঠের কোমল গাছ, বা কম্পোস্ট), একটি প্লাস্টিক বাক্স বা জার, বাজার কাগজ, এবং স্টেরাইলাইজেশনের জন্য অভিজ্ঞতা।

মাধ্যম প্রস্তুত করতে হলে, গোলার্পা বা কাঠের কোমল গাছকে কুচি করে নিয়ে তা স্টেরাইলাইজ করতে হবে। এরপর একটি প্লাস্টিক বাক্সে মাধ্যমটি ঢেলে দিয়ে মাশরুম স্পঃান কার্টিজ বসিয়ে দিতে হবে। মাধ্যমটি সবসময় ময়লা-মুক্ত ও স্টেরাইল থাকা উচিত।

মাশরুম স্পঃান তৈরির পর ফল দেখা যাওয়ার সময় মাশরুমের প্রকারে নির্ভর করে। সাধারণত, ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে মাশরুমের ফল দেখা যেতে পারে। যথেষ্ট আর্দ্রতা, তাপমাত্রা এবং আলোর সঠিক ব্যবস্থা করা লাগে ফল দেখার জন্য।

Written by
Reviewed by
Share this post
Print
Did this article help you?

Leave a comment